ভারতীয় বাদ্যযন্ত্র ও যন্ত্রসঙ্গীতের সেকাল-একাল
ভারতীয় বাদ্যযন্ত্র ও যন্ত্রসঙ্গীতের সেকাল-একাল দেবাশিস মণ্ডল মানুষের জীবনযাত্রা ও কর্মসূত্রে যেমন সংগীতের সৃষ্টি হয়েছিল, তেমনি মানুষের জীবন যুদ্ধের সঙ্গে যন্ত্রসংগীতের সম্পর্কেও জড়িয়ে আছে। শিকার, আত্মরক্ষা ও শিকারের প্রয়োজনে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র তৈরি করতে হয়েছিল। এইসব হাতিয়ারগুলি মানুষের প্রথম আবিষ্কার। আর এইসব হাতিয়ার থেকেই পরবর্তীকালে নানা ধরনের যন্ত্র তৈরি হয়েছে। তার মধ্যে বাদ্যযন্ত্রও অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। টুকরো পাথর বা পাথরের নুড়ি থেকে তৈরি হয়েছে ঘন বাদ্য। ধনুক থেকে হয়েছে ধনুর্যন্ত্র। বান থেকে বীণা। বাঁশ থেকে বাঁশি। পশুর চামড়া কে ব্যবহার করে তৈরি হয়েছে অবনদ্ধ বাদ্য বা চর্মজ বাদ্য। এইসব বাদ্যযন্ত্র থেকে নানাবিধ শব্দ উৎপাদন স্বাভাবিকভাবেই মানুষের মধ্যে কৌতুহল ও আনন্দের সঞ্চার করেছিল। সে যতই এলোমেলো হয়ে থাকে ছন্দ থাকুক আর না থাকুক ভালো লাগার সঙ্গে তার আদিম সম্পর্ক ছিল সুগভীর। দীর্ঘদিন ধারাবাহিক ভাবে ব্যবহার করতে করতে তাদের ছন্দ আসে। সুর এর সম্পর্ক গড়ে ওঠে মানুষের জীবন যাত্রার সঙ্গে। একটি ধনুর্যন্ত্রের ছিলাতে আর একটি ধনুর্যন্ত্রের ঘর্ষণে বিতত বা বোয়িং বাদ্যযন্ত্র। ধনুর্যন্ত্রে একটা তন্ত্রী থেকে Read More …