Rabindranath in Dual Contemplation: Exploring the Complexity of His Perspectives

Dr. Mali Mitra. Memari College, Asst. Prof. In Music.Abstract:Of all the songs compiled in Rabindranath Tagore’s Gitabitan, those that areformal can be expressed in a dual sense. These songs were originally printedin the second volume of the Psalms. In this discussion, an attempt has beenmade to express Rabindranath’s dualistic thinking by expressing the formalsongs of Rabindranath in written form rather than in tune. For example, thefirst song at this stage can be said”Dual Contemplation, ‘Patiya Boso OHridyanath—“This song was composed by the poet on the occasion of themarriage of a relative (1304). As such, this song can be called a “weddingsong”, but it can also be expressed in another way – formless through thelyrics Brambha is invoked to sit on the throne for offering pujas.In this discussion, an attempt has been made to bring out the dualistic styleof some formal songs composed by Rabindranath from the Writing Fencethrough qualitative discussion.Word Read More …

অঞ্জলী লহ সঙ্গীতে

পণ্ডিত অনিন্দ্য বন্দ্যোপাধ্যায় ‘বিংশ শতাব্দীর অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, সংগীতস্রষ্টা, দার্শনিক, যিনি বাংলা কাব্যে অগ্রগামী ভূমিকার সঙ্গে সঙ্গে প্রগতিশীল প্রণোদনার জন্য সর্বাধিক পরিচিত। তিনি বাংলা ভাষার অন্যতম সাহিত্যিক, দেশপ্রেমী এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি। পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ – দুই বাংলাতেই তাঁর কবিতা ও গান সমানভাবে সমাদৃত। তাঁর কবিতায় বিদ্রোহী দৃষ্টিভঙ্গির কারণে তাঁকে বিদ্রোহী কবি নামে আখ্যায়িত করা হয়েছে।’ নজরুল ছিলেন বাংলা গানের জগতে একজন সম্পূর্ণ প্রভাবমুক্ত গীতিকার, সুরকার, এবং এবিষয়ে তিনি নিঃসন্দেহ শ্রেষ্ঠ ছিলেন। রবীন্দ্রনাথের মতোই আর গান ছিল নানা শাখায় পল্লবিত। যদিও রবীন্দ্রনাথের গানের সাংগীতিক শৃঙ্খলা, দার্শনিক ভাবের গভীরতা ও সুরের আত্তীকরণ এবং সহজ প্রকাশভঙ্গির মাধ্যমে জনসাধারণের কাছে গ্রহণযোগ্য হবার যে প্রয়াস সংগীত গবেষকদের চোখে ধরা পড়েছে, সেগুলি আমরা নজরুলের গানে সেই অর্থে পাইনা। এতদসত্ত্বেও আমরা স্বীকার করতে কুন্ঠিত বোধ করব না যে রবীন্দ্রনাথের পরের প্রজন্মের বাংলা গানকে বিভিন্নভাবে পরীক্ষা করার যে দুঃসাহসিকতা তিনি এই সময়টিতে দেখিয়েছিলেন তা সত্যিই প্রশংসনীয় এবং অন্যান্য গীতিকার ও সুরকার দের মধ্যে সেই প্রচেষ্টার Read More …

মানবিক বিকাশে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় সঙ্গীতের গুরুত্ব

ফাতিমা আক্তার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ   শিক্ষায় সঙ্গীতের গুরুত্ব অপরিসীম। জন্মের সময় থেকে একটু একটু করে বেড়ে ওঠার প্রতিটি স্তরে শিশুদের মধ্যে ছন্দ বোধ জেগে উঠে। এই ছন্দকে নিয়েই তার ওঠা, বসা, হেঁটে চলা। ছন্দে মা-বাবা, দাদা, পাপা, ইত্যাদি শব্দগুলো সে শোনে ও বলতে থাকে। হাঁটি হাঁটি পাপা করে একপা দুপা করে যখন একটু একটু করে এগিয়ে যায় তখন তার কাছে এই ছন্দের গুরুত্বটা ধরা পড়ে। আমরা বড়রা এটা বুঝি বলেই নিজেদের জ্ঞাতে বা অজ্ঞাতেই শিশুর সঙ্গে যখন কোন কথা বলি বা তাকে আনন্দ দেবার চেষ্টা করি, তখন ছন্দ এবং সুরই আমাদের কাছে প্রধান মাধ্যম হয়। যখন কোন ভাষা থাকেনা, তখন অর্থহীন কিছু শব্দ বা কিছু অর্থবোধক শব্দ মিলেমিশে একাকার হয়ে যায় এই শিশুর সামনে। সেও নানারকম শব্দে, ছন্দে, সুরে নিজের কন্ঠস্বরকে আন্দোলিত করতে করতে বড়দের কাছে ছুটে আসে। সে বড় মজার ও আনন্দের ব্যাপার। আমরা যে যেমনই হই না কেন আমাদের কাছে শৈশবের প্রতিটি মুহূর্ত ভালো লাগে। নিজের শৈশবের কথা Read More …

An Overview of the Context and Related Literature Review of the Sena Period Sculptures of Bengal

Arindam Mandal Ph.D. Research Scholar Kala-Bhavna, Department of History of Art Literature review gives the knowledge about the identified area in order to gain a background history of the research topic. It identified appropriate methodology, research design, methods of measuring concepts. A precise definition of the research problem is critical. To solve the critical problem it is needed to analyse the whole situation of the research topic. Besides with the help of literature review it identified data sources used by other researchers It describes how others structured their report in a particular style or manner and it gives knowledge about what others have found out in the related field of study and how they have done so.        Literature review analyses relevant previous publications and it finds out problems that are already investigated and that need further investigation. Moreover, the literature review is a funnel that narrows down our topic Read More …

সাধারণ মানুষ

অবহেলিত বা নিম্নবর্গীয় মানুষ কথাটা শুনতে খুবই খারাপ লাগে। স্বাধীনতার পরে অনেকগুলো বছর পেরিয়েছে। পৃথিবীর অনেক দেশ পরে স্বাধীন হয়েও নিজেদের দারিদ্র্যকে মোকাবিলা করেছে। আমাদের দেশের মতো এত বেশি সংখ্যক দরিদ্র মানুষ পৃথিবীর আর কোন্‌ দেশে আছে?  এত বৈষম্য আর কোথায়? রাজনীতিবিদরা সাধারণ মানুষের নজর বা দৃষ্টি ঘুরিয়ে দেবার চেষ্টা করে নানাভাবে।  কখনও নোট বন্দি, বিনা জমায় ব্যাংক একাউন্ট, ঋণ ছাড়, ভারত পাকিস্তানের লড়াই, হত্যা বন্ধ করার জন্য আইন, চীনের জিনিস বয়কট করার মতো নানা হুজুক তৈরি করে। বিদেশ থেকে কালো টাকা ফিরিয়ে আনার অঙ্গীকার করে রাজনৈতিক দল, সরকার। কিন্তু ফুটপাতে, বস্তিতে, ঝুপড়িতে নিরন্ন মানুষদের নিয়ে কোন কথা কখনো কেউ বলেছে? কোন সরকার? রাজনৈতিক দল? না, বলেনি। এরই মধ্যে অনেকেই পাপ পূণ্যের হিসাব কসে নিয়েছে!  মাঝেমধ্যে সাধারণ নিরন্ন মানুষদের কোন দাবি দাওয়া নিয়ে বড়ো আন্দোলন হলে কিংবা নিজেদের ঔদার্য প্রমাণ করার জন্য রুটির টুকরো ছেড়ে দেবার মতো করে কিছু প্রকল্প ঘোষণা করা হয়।  পথ শিশুদের জন্য, বস্তির শিশুদের জন্য, কন্যা Read More …

মণিপুরী নৃত্যশৈলীতে একক নৃত্যের পুনর্নবীকরণ

Rinki Mahato, Ph.D. Scholar, Sangeet Bhawan, Bisva-Bharati University রাজা পামহৈবার রাজত্বকাল থেকেই মনিপুরের আধুনিক ইতিহাসের সূচনা বলা যেতে পারে। রাজা পামহৈবা শ্রী শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর প্রেমভাবশ্রিত বৈষ্ণবধর্মের দ্বারা বিশেষ ভাবে অনুপ্রাণিত হয়ে মনিপুরের পুরানো সকল ধর্মীয় সংস্কার ও ধর্মগ্রন্থ নিশ্চিহ্ন করবার প্রবাসে লিপ্ত হন। পুরানো সকল ধর্মীয় পুঁথি ও প্রামণ্য নথিপত্র অগ্নিসংযোগে ধ্বংস করা হয়, এবং সকল জনসাধারণকে বৈষ্ণবধর্মে দীক্ষিত হবার নির্দেশ জারি করা হয়। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ও শ্রীরাধিকার শরণে সকল মণিপুরীবাসীকে বৈষ্ণবধর্মে দীক্ষিত হতে একপ্রকার বাধ্য করা হয় এবং ইতিপূর্বে মনিপুরের সাধারণ মানুষ যে শৈব ধর্মের উপাসনায় রত ছিলেন সেই শৈব ধর্মকে কোণঠাসা তথা নিষিদ্ধ করে তোলে হয়। ধীরে ধীরে শিব-পার্বতীর পরিবর্তে শ্রীরাধা ও শ্রীকৃষ্ণ প্রধান আরাধ্য দেবতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে ওঠেন। এইভাবেই ধর্মীয় পালা বদলের পটভূমিকায় ক্রমে রাজা পামহৈবার পৌত্র মহারাজ ভাগ্যচন্দ্র সিংহ মনিপুরের রাজ সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হন। মহারাজ ভাগ্যচন্দ্র সিংহ ছিলেন বৈষ্ণবধর্মের প্রচারক। তাঁর সময়ে বৈষ্ণবধর্ম মনিপুরের জাতীয় ধর্মে পরিণত হয়। শ্রী শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর আত্মমগ্ন প্রেমরসাশ্রিত Read More …

ব্রত কথা

দেবাশিস মণ্ডল ব্রত কথাটির প্রতিজ্ঞা, চর্চা বা সাধনা অর্থে ব্যবহার করা হয়, তবে সাধারণভাবে শ্রদ্ধার সঙ্গে কোনো বিশেষ লোকাচার উদযাপনকেই প্রচলিত অর্থে ব্রত বলা হয় । বাংলায় ঘরে ঘরে অনেক রকমের ব্রত বা সামাজিক অনুষ্ঠানের রীতি বহুকাল ধরে প্রচলিত রয়েছে। ভারতের সর্বত্রই নানা ধরনের ব্রত উদযাপন করা হয়ে থাকে। যদিও সেখানে ব্রত শব্দটি সেভাবে প্রচলিত নয়। বাংলায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা ছাড়াও বিভিন্ন ধর্মের মানুষ বসবাস করে। তাদের মধ্যেও অনেকে অনেক রকমের রীতিনীতি মা ধর্মাচরণ করে থাকেন। আদিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যেও নানা রকমের ধর্মাচরণ লক্ষ্য করা যায়। সেখানে তারা নিজেদের মতো করে নিয়ম পালন করে। কেউ সারাদিন না খেয়ে, রান্না করা খাবার না খেয়ে, ফলমূল খেয়ে, কিংবা শরবত জাতীয় পানীয় খেয়ে সারাদিন ধরে নানা নিয়ম পালন করে ব্রত উদযাপন করে থাকে। বিভিন্ন ব্রত পালনে এক এক রকমের বিধি নিষেধ রয়েছে। কিছু ব্রত আছে যেগুলি ঘরের ভেতরে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। কিছু ব্রত আছে যেগুলি বাড়ির বাইরে, উঠোনে কিংবা পুকুর ঘাটে গিয়ে উদযাপন করা হয়। Read More …

লোকায়ত গানে কাজী নজরুল ইসলাম

 ড. মৌমিতা বৈরাগী  সাধারণভাবে মানুষ বা লোকোমুখে যা প্রচলিত  বা প্রসারিত তাই হলো লোকায়ত।যেখানে জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সমস্ত মানুষের লোক – ভাবনা প্রাধান্য পায়। নগর বা শহরের রুক্ষ বাস্তব ও যান্ত্রিক সভ্যতা থেকে অনেক দূরে, প্রকৃতির শ্যামল রূপের কোলে বেড়ে ওঠা মানব মনের অন্তস্থলের খুব সাধারন কথা এবং অতি সাদামাটা সুরে নিজের মনের ভাব প্রকাশের একটি অন্যতম মাধ্যম হলো লোকসংগীত। যার মাধ্যমে প্রকাশিত হয় মানুষের দৈনন্দিন জীবনের  হাসি কান্না দুঃখ সুখ আনন্দ, মনের আবেগময় অনুভূতি। অন্যভাবে লোকসঙ্গীত হলো গ্রামীণ জনজীবনের অন্যতম এক বিনোদন। এই বাংলা নানা ধারার  লোকগানের  সম্ভারে সমৃদ্ধ। একদিকে যেমন পূর্ব পশ্চিম উত্তর দক্ষিণ অঞ্চলের লোকগান, লালন সাঁইজি এবং অন্যান্য পদকর্তাদের গান আবার শ্রমজীবী মানুষের শ্রম লাঘবের গান, বিভিন্ন জাতি এবং উপজাতিদের উৎসবের গান – লোকগানের এত বৈচিত্র্য  আর কোথাও আছে কিনা সন্দেহ।  কাজী নজরুল ইসলাম সাহেবের বিভিন্ন ধারার সংগীতের মধ্যে এক অন্যতম সৃষ্টি হল লোকায়ত সুরে তার গান। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার জামুরিয়া থানার Read More …

Mudras of YOGA & Dance

  NrityaChuramani  Rahul Dev Mondal ( Exponent Of BharatNatyam & Yoga / Assistant Professor , Rabindra Bharati University , Department of Dance )  A mudrā (muːˈdra; “seal”, “mark”, or “gesture”) is a symbolic or ritual gesture performed by the hands, often used in practicing Hinduism and Buddhism; it is a spiritual gesture that acts as an “energetic seal of authenticity”.  Most mudras are performed with the hands and fingers often in combination with movements of the wrists, elbows, and shoulders; some involve the entire body. Hundreds of mudras are used in the ceremonies, dance, sculpture and painting iconography (i.e. representations of Buddha).  In the yoga and spiritual practices, of Indian religions and traditions such as Dharma and Taoism, mudras have been used for thousands of years to assist in meditation and/or healing. In yoga, mudrās are hand gestures used in conjunction with pranayama (yogic breathing exercises), and are generally done Read More …