Volume-III. No-V : September-October 2021

Now is the festive season. On the other hand, the season of low pressure. Bengal was devastated by the severe depression. Many states in India are in turmoil. Floods, landslides and epidemics have made people’s lives miserable. Lack of misery is also increasing. With rising commodity prices. Petrol, diesel, kerosene, cooking gas out of reach. No work at hand. Unemployed youth are suffering from extreme depression. The condition of the artists is pathetic. Music, dance, drama artists are now in a state of shock. Who knows how they are raising their children?

We have to pay attention so that the large Durga Pujo of Sharad Utsav does not overwhelm the crowd. Everyone needs to pay attention so that the touch of corona does not make our life miserable anymore. The government and the clubs have to be careful. Every human being must be careful.

এখন উৎসবের মরসুম। অন্যদিকে নিম্ন চাপের মরসুমও। প্রবল নিম্নচাপে বাংলা বিদ্ধস্ত। বিপর্যস্ত ভারতের বহু রাজ্য। বন্যা, ধ্বস আর মহামারী করোনা মানুষের জীবন অতিষ্ট করে তুলেছে। অভাব দুর্দশাও বেড়েই চলেছে। সঙ্গে বাড়ছে জিনিসপত্রের দাম। পেট্রল, ডিজেল, কেরোসিন, রান্নার গ্যাস নাগালের বাইরে। হাতে কাজ নেই। বেকার তরুণরা চরম হতাশায় ভুগছে। শিল্পীদের অবস্থা করুণ। সঙ্গীত, নৃত্য, নাটক এসব শিল্পীদের এখন হাঁড়ির হাল অবস্থা। তারা কীভাবে তাঁদের সন্তান সন্ততিদের প্রতিপালন করছে কে জানে?

শারদ উৎসবের বড়ো আকারের দুর্গা পুজোয় ভীড় যাতে ছাপিয়ে না যায় সেদিকে নজর দিতে হবে। করোনার মাখামাখি যেন আমাদের জীবনকে আর দুর্বিসহ না করে তোলে সেদিকে দৃষ্টি দেওয়া দরকার সকলের। সরকার আর, ক্লাবগুলোকে স্তর্ক থাকতে হবে। সতর্ক থাকতে হবে প্রতিটি মানুষকেই।

Volume-III. No-IV : July-August 2021

প্রতিবাদী কবি শঙ্খ ঘোষ প্রয়াত হয়েছেন। তাঁর স্ত্রীও প্রয়াত। আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন জনশিক্ষা আন্দোলনের একজন বিরল ব্যক্তিত্ব শক্তি মণ্ডল। শক্তি মণ্ডল এক সময়ে শিখিয়েছিলেন কীকরে নব্য সাক্ষর,স্বল্প সাক্ষর ও সীমিত শিক্ষিতদের জন্য সংবাদ প্রতিবেদন রচনা করতে হয়। মেদিনীপুরের প্রত্যন্ত এক গ্রামের কমিউনিস্ট পরিবারে জন্ম নেওয়া অফুরান প্রাণপ্রাচুর্য আর অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ এই মানুষটি কমিউনিস্ট আন্দোলনের নানা আঁকাবাঁকা পথ অতিক্রম করেছেন,কারান্তরালে থেকেছেন এবং পরবর্তীকালে সাক্ষরতা ও জনশিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ মহতী কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত করেছেন — যা ভাবলে বিস্ময় জাগে! নিরন্তর চর্চা,অধ্যবসায় ও আন্তরিক ইচ্ছার মিলনে যে একজনের মধ্যে মেধা ও সৃজনের অপরূপ উন্মেষ ঘটে এবং এই সন্মিলন যে একজনকে অনিন্দ্যসুন্দর করে গড়ে তুলতে পারে তারই অনুপম দৃষ্টান্ত যেন শক্তিদা। আশ্চর্যের বিষয়,বহু সময়ে তাঁর সঙ্গে কাটানোর অবকাশ হয়েছে,কিন্তু কখনো একমুহূর্তের জন্য তাকেঁ এতটুকু রুষ্ট হতে অথবা কারও প্রতি বিন্দুমাত্র অসূয়া প্রকাশ করতে দেখিনি। এটা নিঃসন্দেহে মানব চরিত্রের এক বিরল প্রকাশ বলেই মনে হয় !

তিনি প্রতিনিয়ত সাংগঠনিক কাজে মগ্ন থেকেছেন।তারই ফাঁকে নিয়মিত লিখেছেন প্রবন্ধ,প্রতিবেদন,কবিতা,ছড়া, অনুগল্প ইত্যাদি। তবে সাক্ষরতা ও জনশিক্ষা সংক্রান্ত রচনাগুলি ছিল সর্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ। যেগুলোর মধ্যে নিবিড় পাঠ,শিক্ষা,অভিজ্ঞতা ও গবেষণার চমকপ্রদ প্রতিফলন লক্ষণীয়। ইদানীং শক্তিদার সঙ্গে খুব একটা সাক্ষাৎ না হলেও দূরভাষের মাধ্যমে সংযোগ ছিল অটুট। তিনি সময়করে কুশল জানতে চাইতেন। বিশেষকরে করোনার ভয়াবহ সংক্রমণের আবহে ফোন করে সাবধানে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। দেশহিতৈষীর সঙ্গে ছিল তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। এখানে তিনি যেমন নিজে থেকে লেখা পাঠাতেন, তেমনি আমরাও মাঝেমাঝে লেখার জন্য অনুরোধ করতাম। তিনি সানন্দে সেই অনুরোধ রক্ষা করতেন। এছাড়াও আমার সম্পাদনায় বিভিন্ন স্মারক গ্রন্থেও তিনি তাঁর মূল্যবান রচনা পাঠিয়ে আমাদের সমৃদ্ধ করেছেন। শক্তিদার উদ্যোগেই গড়ে ওঠে ‘সত্যেন মৈত্র জনশিক্ষা সমিতি’। তিনি ছিলেন এই সংগঠনের সভাপতি। সেখানে যুক্ত ছিলেন তাঁরই দীর্ঘদিনের সহযাত্রী কল্যাণ শতপথি(প্রয়াত)। আরও অনেকের সাথে পাহাড়িদার মতো প্রবীণ মানুষকেও তিনি এই সংগঠনের বৃত্তে নিয়ে এসেছিলেন।

‘জনশিক্ষা ভাবনা’ এই সংগঠনের মুখপত্র–যা শক্তিদার ভাবনার উজ্জ্বল স্বাক্ষর বহন করছে। শক্তিদা বেশকিছু বই ও পুস্তিকা রচনা করেছেন। মাঝেমধ্যেই তিনি আমাকে বই ও নানা পত্রপত্রিকা পাঠাতেন। সম্প্রতি তিনি ফোনে বললেন,বিদ্যাসাগরের দ্বিশতবর্ষ উপলক্ষ্যে তিনি একটি গ্রন্থ রচনা করেছেন,সঙ্গে আরও একটি বই। যেদু’টি আমাকে পাঠাবেন। শুনে আমিও অধীর আগ্রহেই বই দু’টির প্রত্যাশায় ছিলাম। এছাড়া কথা হয়েছিল বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বিশ্বে জনশিক্ষা আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ ব্রাজিলের পাওলো ফ্রেইরির জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দেশহিতৈষীর শারদ সংখ্যায় তিনি লিখবেন। কিন্তু তার আগেই তিনি চলে গেলেন না ফেরার দেশে! আজ মনে পড়ছে শক্তিদা দেশে সাক্ষরতা ও জনশিক্ষা প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ‘ড. সুশীলা নায়ার লিটারেসি অ্যাওয়ার্ড ২০০৭-০৮’ অর্জন করেছিলেন। এই কৃতিত্বের জন্য তাঁকে পশ্চিমবঙ্গ গণতান্ত্রিক লেখক শিল্পী সঙ্ঘের পক্ষ থেকে ধর্মতলায় রাজ্য দপ্তরে সংবর্ধনা জানানো হয়েছিল। সেদিন অনেক বিদগ্ধ মানুষের উপস্থিতিতে শক্তিদার বক্তৃতা অনেকের স্মৃতিতে আজও অমলিন। গণতান্ত্রিক লেখক শিল্পী সঙ্ঘ ও এই সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক ইন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অনেকের সঙ্গেই শক্তিদার ছিল হার্দিক সম্পর্ক। বিভিন্ন সময়ে তিনি এই সংগঠনের কর্মসূচিতে উপস্থিত থেকেছেন,আবার ইন্দ্রদাকেও তাঁদের নানা অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ করে নিয়ে গেছেন।

শক্তি মণ্ডল সাক্ষরতা ও জনশিক্ষা আন্দোলনের পাশাপাশি নানা সামাজিক ও গণ আন্দোলনে যুক্ত থেকেছেন। কেন্দ্রের সাম্প্রদায়িক বিজেপি সরকারের জনবিরোধী নীতি বিশেষকরে মানুষকে বিভাজিত করার লক্ষ্য নিয়ে এন আর সি, সিএএ, এনপিআর বিরোধী পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আন্দোলনে তিনি পথে নেমেছেন এবং মানুষকে সংগঠিত করার উদ্দেশ্যে ‘নাগরিকপঞ্জি বিরোধী মঞ্চে’ শামিল হয়েছেন। আগেই উল্লেখিত হয়েছে,শক্তিদা সব সময়ই সৃষ্টির কাজে ব্যাপৃত থেকেছেন। মনে পড়ছে গতবছর লকডাউনের সময়ে গৃহবন্দিদশায় কেন্দ্রের শাসকদল ও সরকারের অবৈজ্ঞানিক ভাবনা ও অবিমৃশ্যকারি পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ও শ্লেষ ব্যক্ত করে সামাজিক মাধ্যমে তুলে ধরেছিলেন অনবদ্য কবিতা—- ‘নতুন কত কী’, ‘দেবতার ত্রাস’; যেগুলির মধ্যে অন্ধ কুসংস্কারের বিরুদ্ধে বিজ্ঞানের জয়যাত্রার কথাই পরিস্ফুটিত হয়েছিল। সেই কবিতাগুলো পড়ে অভিনন্দন জানিয়েছিলাম তাঁকে। খুবই খুশি হয়ে তিনি সে সময়ে রচনা করা কয়েকটি অনুগল্প পড়ার অনুরোধ করেছিলেন। সেগুলোও তাঁর বিচিত্র সৃজনশীলতাকেই মূর্ত করছে। করোনা আক্রান্ত হয়ে কিছুদিন ভরতি ছিলেন হাসপাতালে। ক্রমশ সুস্থ হয়ে উঠছিলেন। সব সময় সৃষ্টির নেশায় মগ্ন মানুষটি ভেবেছিলেন হাসপাতালের বেডে শুধু শুধু শুয়ে না থেকে কিছু লেখালেখি করবেন। তাই খবর পাঠিয়েছিলেন পরদিন যেন বাড়ি থেকে কলম-কাগজ পৌঁছে দেওয়া হয় তাঁকে। সেইমতো পুত্র ও বৌমা (৬ মে) রওনা হয়েছিল হাসপাতালে। কিন্তু কী মর্মান্তিক সমাপতন! পথেই আসে দুঃসংবাদ! সেই কলম-কাগজ অধরাই রয়ে গেল! বাবাকে আর পৌঁছে দেওয়া গেলনা! নতুন কোনো সৃষ্টিও আর ডানা মেললো না!

Volume-III. No-III : May-June 2021

শত সহস্র মানুষ হারিয়ে যাচ্ছে। কোভিড মৃত্যু! স্বার্থপরের মতো কাছের মানুষও সরে যাচ্ছে। রবীন্দ্রনাথের জন্মমাস। আমরা সব জেনেও সেই আয়োজন করার কথা ভাবছি না। নেতারা ভোট এর আর ক্ষমতার উতসবে মেতেছেন। তাদের আকাঙ্খার বলি হচ্ছি আমরা। সবার সার্বিক মঙ্গল কামনা করি। আমাদের ক্ষমতা সীমিত। তবু পাশে থাকার অঙ্গীকার রইলো। রবীন্দ্রনাথের কবিতায় আজকের এই চরম ও বেদনার মুহুর্তগুলিকে স্মরণ করি। যাঁরা চলে গিয়েছে যাঁরা চলে যাবেন, তাঁদের প্রতি এই শ্রদ্ধা আমাদের ।

বিচ্ছেদের শান্তি

সেই ভালো, তবে তুমি যাও।
তবে আর কেন মিছে করুণ নয়নে
আমার মুখের পানে চাও?
এ চোখে ভাসিছে জল, এ শুধু মায়ার ছল,
কেন কাঁদি তাও নাহি জানি।
নীরব আঁধার রাতি,  তারকার ম্লান ভাতি,
মোহ আনে বিদায়ের বাণী।
নিশিশেষে দিবালোকে  এ জল রবে না চোখে,
শান্ত হবে অধীর হৃদয়—
জাগ্রত জগতমাঝে  ধাইব আপন কাজে,
কাঁদিবার রবে না সময়।

দেখেছি অনেক দিন  বন্ধন হয়েছে ক্ষীণ,
ছেঁড় নাই করুণার বশে।
গানে লাগিত না সুর,  কাছে থেকে ছিলে দূর,
যাও নাই কেবল আলসে।
পরান ধরিয়া তবু  পারিতাম না তো কভু
তোমা ছেড়ে করিতে গমন।
প্রাণপণে কাছে থাকি দেখিতাম মেলি আঁখি
পলে পলে প্রেমের মরণ।
তুমি তো আপনা হতে  এসেছ বিদায় ল’তে—
সেই ভালো, তবে তুমি যাও।

যে প্রেমেতে এত ভয়  এত দুঃখ লেগে রয়
সে বন্ধন তুমি ছিঁড়ে দাও।

আমি বহি এক ধারে,  তুমি যাও পরপারে,
মাঝখানে বহুক বিস্মৃতি।
একেবারে ভুলে যেয়ো, শতগুণে ভালো সেও—
ভালো নয় প্রেমের বিকৃতি।
কে বলে যায় না ভোলা! মরণের দ্বার খোলা,
সকলেরই আছে সমাপন।
নিবে যায় দাবানল,  শুকায় সমুদ্রজল,
থেমে যায় ঝটিকার রণ।
থাকে শুধু মহা শান্তি,   মৃত্যুর শ্যামল কান্তি,
জীবনের অনন্ত নির্ঝর—
শত সুখ দুঃখ দ’লে   কালচক্র যায় চলে,
রেখা পড়ে যুগ-যুগান্তর।

যেখানে যে এসে পড়ে  আপনার কাজ করে
সহস্র জীবন-মাঝে মিশে—
কত যায় কত থাকে,  কত ভোলে কত রাখে,
চলে যায় বিষাদে হরিষে।
তুমি আমি যাব দূরে,   তবুও জগৎ ঘুরে,
চন্দ্র সূর্য জাগে অবিরল—
থাকে সুখ দুঃখ লাজ,  থাকে শত শত কাজ,
এ জীবন হয় না নিষ্ফল।

মিছে কেন কাটে কাল, ছিঁড়ে দাও স্বপ্নজাল,
চেতনার বেদনা জাগাও—
নূতন আশ্রয়ঠাঁই,  দেখি পাই কি না পাই।
সেই ভালো তবে তুমি যাও।

Hundreds & thousands of people are missing everyday. Covid & dead! People close to him are also moving away like selfish people. This month is the Rabindranath Tagores birth month. We are not thinking of organizing that knowingly. Leaders are celebrating the power of the vote. We are the victims of their aspirations. I wish all the best. Our power is limited. Yet the promise to stay by his side remained. I remember these extreme and painful moments with Rabindranath’s poetry today. We pay our respects to those who have left and those who will leave.

Peace of separation

That’s good, but you go.
But why lie with pitiful eyes
Do you want to drink my mouth?
There are tears in his eyes, this is just Maya’s trick,
I don’t know why I cry.
Silent dark night, the star’s faint glow,
Farewell message brings fascination.
In the end, the water will not cry in the daytime,
Anxious heart will calm down:
I will run in the awakened world in my work,
No time to cry.

I have seen that the bond has been weak for many days,
He did not give up out of compassion.
The melody was not in the song, it was far from near,
Not just lazy to go.
I could never wear it
Going to leave you.
I was close to him and I saw him with tears in my eyes
The death of love from time to time.
You’ve come to say goodbye.
That’s good, but you go.

Roy is so scared and so sad in that love
You break that bond.

I’m on one side of the book, you go to the other side,
Lots of forgetfulness in the middle.
Forget it, it’s a hundred times better.
Not a good distortion of love.
Who can not forget! The door of death is open,
Everyone has a conclusion.
Take fires, dry seawater,
The battle of Jhatika stops.
There is only great peace, the green radiance of death,
The eternal fountain of life:
Hundreds of joys and sorrows go by,
The line falls from age to age.

That’s where your work comes in
Thousands of lives in between—
How much goes, how much stays, how much forgets how much,
Goes to Harish in sadness.
You and I will go far, yet the world will turn,
The moon and the sun wake up endlessly:
There is happiness, there is shame, there are hundreds of deeds,
This life is not in vain.

Why cut tomorrow, break the dream,
Awaken the pain of consciousness:
New shelter, let’s see if we get it.
That’s good, but you go.

Volume-III. No-II : March April 2021

নতুন করে করোনার ঢেউ এসে পড়েছে বাংলা ও ভারতের প্রতিটি প্রান্তে। এবারের কোভিড তরঙ্গ যেন আরো বেশি করে আক্রমণ করছে আমাদের। টানা এক বছরের বেশি সময় ধরে নিজেদের গুটিয়ে রাখার প্রবণতা থেকে মুক্তির অপেক্ষায় থাকতে থাকতে একসময় ভুলেই গিয়েছিলাম যে আরো দীর্ঘদিন নিজেদের আত্মগোপন করে থাকতে হবে। এরইমধ্যে হাজার হাজার মানুষের অসুস্থতা আমাদের আরও চিন্তিত করে তুলেছে। একই সঙ্গে চলছে বিভিন্ন রাজ্যে নির্বাচন। রাজনৈতিক নেতারা সবকিছুই উপেক্ষা করতে পারেন, নির্বাচনকে নয়। এখন দেশপ্রেমের সঙ্গে নিজেদের লাভের আখের গোছানোর বহর অনেক বড় হয়ে উঠেছে। তা থেকে নিজেদের ও দেশের মানুষকে সুস্থ ও স্বাভাবিক অবস্থায় রাখার প্রয়োজনীয়তা তারা অনুভব করেন না। রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারের কর্তাব্যক্তিরাও এ ব্যাপারে দেশের ও মানুষের স্বার্থ অপেক্ষা নিজেদের স্বার্থের কথাকেই বড় করে দেখছেন। আমরা নিরুপায়। শোনা যাচ্ছে গণমাধ্যমগুলি এদের কাছে নিজেদের বিক্রি করে দিয়েছে। হতাশ আমরা নিজেরা নিজেদের মতো করে বাঁচার চেষ্টা করছি, হাতে হাত ধরে কোনভাবে টিকে থাকার চেষ্টা। কি জানি কতদিন এভাবে সুস্থ থাকব। এরই মধ্যে আমাদের পত্রিকা লোকগান্ধার প্রকাশিত হলো। এবারের সংখ্যায় অল্প কয়েকটি লেখা রয়েছে। যাই হোক পরের সংখ্যায় অনেক বেশি করে যাতে লেখা দেওয়া যায় তার জন্য আমরা সবার কাছে আহ্বান জানাচ্ছি।

A new wave of corona has come to every corner of Bengal and India. This time the Kovid wave seems to be attacking us more and more. While waiting for more than a year to get rid of the tendency to wrap ourselves up, we once forgot that we would have to hide ourselves for a long time. In the meantime, the illness of thousands of people has made us even more worried. At the same time elections are going on in different states. Political leaders can ignore everything, not elections. Now the fleet of packing sugarcane for their own benefit with patriotism has become much bigger. They do not feel the need to keep themselves and the people of the country healthy and normal. State and central government officials are also looking at their own interests rather than the interests of the country and the people in this regard. We are helpless. It is heard that the media has sold itself to them. Desperate we are trying to live like ourselves, everyone is trying to survive somehow hand in hand. Do you know how long I will be healthy like this? In the meantime, our Journal ‘LokoGandhar’ was published late. There are a few articles in this issue. However, we urge everyone to write more in the next issue.

Volume-3. No-1 : January – February 2021

অবহেলিত বা নিম্নবর্গীয় মানুষ কথাটা শুনতে খুবই খারাপ লাগে। স্বাধীনতার পরে অনেকগুলো বছর পেরিয়েছে। পৃথিবীর অনেক দেশ পরে স্বাধীন হয়েও নিজেদের দারিদ্র্যকে মোকাবিলা করেছে। আমাদের দেশের মতো এত বেশি সংখ্যক দরিদ্র মানুষ পৃথিবীর আর কোন্‌ দেশে আছে?  এত বৈষম্য আর কোথায়? রাজনীতিবিদরা সাধারণ মানুষের নজর বা দৃষ্টি ঘুরিয়ে দেবার চেষ্টা করে নানাভাবে।  কখনও নোট বন্দি, বিনা জমায় ব্যাংক একাউন্ট, ঋণ ছাড়, ভারত পাকিস্তানের লড়াই, হত্যা বন্ধ করার জন্য আইন, চীনের জিনিস বয়কট করার মতো নানা হুজুক তৈরি করে। বিদেশ থেকে কালো টাকা ফিরিয়ে আনার অঙ্গীকার করে রাজনৈতিক দল, সরকার। কিন্তু ফুটপাতে, বস্তিতে, ঝুপড়িতে নিরন্ন মানুষদের নিয়ে কোন কথা কখনো কেউ বলেছে? কোন সরকার? রাজনৈতিক দল? না, বলেনি। এরই মধ্যে অনেকেই পাপ পূণ্যের হিসাব কসে নিয়েছে!  মাঝেমধ্যে সাধারণ নিরন্ন মানুষদের কোন দাবি দাওয়া নিয়ে বড়ো আন্দোলন হলে কিংবা নিজেদের ঔদার্য প্রমাণ করার জন্য রুটির টুকরো ছেড়ে দেবার মতো করে কিছু প্রকল্প ঘোষণা করা হয়।  পথ শিশুদের জন্য, বস্তির শিশুদের জন্য, কন্যা সন্তানদের জন্য, বিধবাদের  আর বৃদ্ধদের জন্য কিছু বরাদ্দ হয়। দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণ দেয়। পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হলে ক্ষতিপূরণ দেয় সরকার। আমরা সাধারন মানুষ এতেই খুশি। আমরা হাততালি দিই। সরকারের জয়গান করি। তাদের কথায় লাঠি নিয়ে বেরিয়ে পড়ি। গরিব মানুষের হাতে লাঠি, তাদের হাতে পতাকা। তাদেরকেই মিছিলের সারিতে দেখি, মিটিংয়ে দেখি।

সাধারণ মানুষের একটা সংজ্ঞা দেওয়া যাক্‌।  এরা চালের দাম বাড়লে কিংবা কেরোসিনের লাইনে দাঁড়িয়ে তেল না পেয়ে নিজেদের অদৃষ্টকে কিংবা ডিলারকে দোষারোপ করতে করতে বাড়ি ফিরে যায়। ব্লাকে কেরোসিন কিনে চালে ডালে মিশিয়ে খাবার তৈরি করে। অভাবের সংসারে যাদের নিত্য অশান্তি মা-বাবা, ছেলে-মেয়ে, শশুর-শাশুড়িরা বাদানুবাদ করে ঘুমোতে যাওয়া, ঝগড়া করে বাড়ি থেকে চলে যাওয়া, তুচ্ছ কারণে আত্মহত্যা করা খুব স্বাভাবিক ঘটনা। আবার কেউ গৃহদেবতার কাছে মনের কথা জানায়, ছেলেটা যেন একটা চাকরি পায়। মেয়ের বিয়ে যেন ভাল ছেলের সঙ্গে হয়। কর্তার অসুখটা যেন তাড়াতাড়ি সেরে যায়। জল পড়া, কবিরাজি, হোমিওপ্যাথির সঙ্গে ঝাড়ফুঁক টোটকা মাজারে কিংবা মন্দিরে আশীর্বাদ ভিক্ষে করে। দুবেলা ঘরে ক্যালেন্ডারের ছবিতে সিঁদুর, ফুল, মালা দিয়ে পুজো করে। একই ঘরে মন্দির মসজিদ গির্জা। এরাই হচ্ছে সাধারণ মানুষ। এরাই আবার কখনো কেউ খাঁটি হিন্দু, খাঁটি মুসলমান। কেউ ব্রাহ্মণ, কেউ শূদ্র। একটা ছুতো পেলেই হল। রাম রহিমের কোলাকুলি হাতাহাতিতে পরিণত হয়। রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের স্বীকার হতে বেশি সময় লাগে না। তারপর গুলি বন্দুক, রক্ত আর কান্নার দীর্ঘশ্বাস বাড়তে থাকে। ‘হায় ছায়াবৃতা, কালো ঘোমটার নীচে অপরিচিতের চেহারা। মুহূর্তেই হারিয়ে যায় সব বন্ধুত্ব!

দরিদ্র আর পিছিয়ে পড়া মানুষদের মধ্যে গভীর একটা সম্পর্ক আছে। সাধারণভাবে কায়িক পরিশ্রম যারা বেশি করে, তারা অনেক বেশি পরিশ্রম করে কম হয় উপার্জন করে। আর যারা মেধা বা বুদ্ধি নিয়ে কাজ করে তাদের আয় বেশি। তাই গ্রাম নগর মাটির দিকে মুখ করে দিনান্ত পরিশ্রমী মানুষরাই পিছিয়ে পড়েছে। তাদের না ছিল অতীত, না আছে বর্তমান। এরা নাম-গোত্রহীন  হয়ে পড়ে। এরা কাজের সঙ্গে মিলিয়ে একটা পদবী জোগাড় করতে পেরেছে ঠিকই, কিন্তু সেটা তাদের নিজেদের জন্যে নয়, বাবুদের সুবিধার জন্যে।  রামু মুচি,  শ্যাম মেথর, গগন  চণ্ডাল, কৃষ্ণ ডোম, গৌর হাঁড়ি ইত্যাদি, ইত্যাদি। জন্ম জন্মান্তর ধরে সেই পদবী বয়ে নিয়ে চলেছে সবাই। দাসত্বের এ এক শৃঙ্খল সরকারী নিয়মে বয়ে বেড়াতে হচ্ছে  জন্ম জন্মান্তর ধরে। আর এটা হয়েছে অভিভাবকদের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ঠিক ঠিকভাবে লোক গুলোকে চিনে নেবার জন্য, আইন রক্ষার জন্য, অভিজাতদের প্রয়োজন মেটানোর জন্য। একসময় ছিল এরা নিজেদের এক একটা পাড়ায় মিলেমিশে থাকতো। এখনো থাকে, তবে এরাও বদলে যাচ্ছে। এরা কোথাও ভূমিজ, কোথাও চন্ডাল। লোকগান্ধার এদের জন্যেই এদের নিয়েই কাজ করে যাবে।

Neglected or lower class people feel very bad to hear that. Many years have passed since independence. Many countries of the world have become independent but have faced their own poverty. What other country in the world has so many poor people like our country? Where is so much inequality? Politicians try to divert the attention of the common people in various ways. Sometimes banknotes, bank accounts without deposits, loan waivers, India-Pakistan war, laws to stop killings, boycotts of Chinese things. Political parties and the government have promised to bring back black money from abroad. But has anyone ever said anything about destitute people on sidewalks, in slums, in huts? Which government? Political parties? No, not said. In the meantime, many have taken into account the virtues of sin! Occasionally, projects are announced, such as when there is a large movement of ordinary people to make a claim or to give up a piece of bread to prove their generosity. Paths are allocated for children, slum children, daughters, widows and the elderly. Compensates for accidents. The government pays compensation in case of death due to police firing. We ordinary people are happy with this. We clap. Praise the government. I went out with a stick at their words. Sticks in the hands of poor people, flags in their hands. I see them in the procession, in the meeting.

Let’s give a definition of common man. They go home blaming their fate or the dealer for not getting oil when the price of rice goes up or standing in line for kerosene. Black buys kerosene and mixes it with rice to make food. In a world of scarcity, it is very common for parents, children, fathers-in-law, mothers-in-law, mothers-in-law, mothers-in-law to go to bed arguing, leave home after quarreling, and commit suicide for trivial reasons. Someone told the house god that the boy should get a job. The daughter’s marriage should be with a good boy. The master’s illness seemed to heal quickly. Scrubbing with water, poetry, homeopathy, Totka begs for blessings at shrines or temples. Worship with vermilion, flowers and garlands in the calendar picture in the double room. Temple mosque church church in the same room. These are ordinary people. These are the ones who are sometimes pure Hindus, pure Muslims. Some are Brahmins, some are Shudras. As soon as he got an excuse. Ram Rahim’s hug turned into a fight. It doesn’t take long to admit to a political conspiracy. Then the gunshots, the blood and the sighs of tears increased. ‘Oh the shadow, the look of the stranger under the black veil. All friendships are lost at the moment!

There is a deep connection between poor and backward people. In general, those who do more physical work earn much less by working harder. And those who work with talent or intelligence have higher income. That is why the hard working people of the day have fallen behind facing the rural and urban lands. They had neither the past nor the present. They became nameless. It is true that they have been able to get a title with their work, but it is not for their own benefit, but for the benefit of the gods. Ramu Muchi, Shyam Methar, Gagan Chandal, Krishna Dom, Gaur Handi etc., etc. Everyone has been carrying that title from birth to death. This chain of slavery has to be carried by the government rules from birth to death. And it has been done in harmony with the guardians to get to know the people properly, to uphold the law, to meet the needs of the elite. Once upon a time, they used to live together in one of their neighborhoods. There are still, but they are also changing. They are land somewhere, Chandal somewhere. Lokgandha will work with them for them.

Vol. 2, Issue 6

Lokogandhar ISSN : 2582-2705 An International Journal

‘Lokogandhar’ has received the International Standard Serial Number (ISSN), which is primarily international recognition. Our responsibility increased. Research articles need to be more flawless and informative. Our aim is to encourage relentless efforts and research. This Journal will reach to many people. We expect that a new generation of students and researchers will be benefited significantly from this.

There are some high-quality writings have published. Dr. Biswajit Mondal, Rahul Dev Mondal, Pandit Anindya Banerjee, Pt. Bhabanishankar Dasgupta, Dr. Jayanti Mandal and many more author and researchers are writings regularly, no doubt that writings have given some new ideas.

The Corona epidemic has spread all over the world. The monsoon has come to Bengal. We are all arrested in our own house. Meanwhile, there is going to be a border clash between China and India. The war between India and Pakistan is a bit stagnant now. Daylight sometimes goes out. Wet air in the dark of night. Thick rain clouds are coming and going in the day sky. The paddy fields are turning green little by little. At night, in the frozen water of the rain, the call of the frog took place in the field. Many birds are wandering in search of fish. The people of Bengal sang Rabithakur’s song of rain in the rainy season.

However, the articles will be published only after proper assessment. I urge all the readers or researchers to stick to the task of publishing Journals without hesitation. The Journal is expected to be published within every two months. There has a lot of writings. Work is underway to publish them. The experience of us to publish the online journals is negligible. Yet the effort is still going on. Let’s see Evaluating the texts sent to the professors is then published. The result is time consuming. Maintaining quality is very important. We will try Various topics will be written about literature, culture, society, ethics and so on. Whenever a special number is released it will be reported in advance. All of you will notice. Give us your advice on writing our Journal. We have met some prominent people to test the quality of the writings of our folklore. They are constantly examining the quality of their writings. That’s how the Journal is publishing. Everyone in our editorial congregation is extremely responsible. They are also working diligently.

Request to Readers, please read your favorite articles and provide feedback. Be open minded. We humbly request to all writers to send the text by typing, Send typed soft copy of Bengali or Hindi text in Google Input Tool (https://www.google.com/inputtools/try/) or on Avro https://www.omicronlab.com/avro-keyboard-download.html.  

Send pictures, photos and links as needed so that the articles become more informative and relevant. If you write in English, type it in any font and send it with Proper references should be used in each article. But you can also send interview-based articles. It is necessary to give the name, date, place and time of the interview. Send your own photo, phone numbers and photos, charts or diagrams if require with the text. It is recommended that please be careful to the spelling as possible. It is important to have captions at the bottom of the image.

Please send your article to:  lokogandhar@gmail.com

The next issue will be published in July, 2020

Editorial of Volume-1.Issue-1 : September-October 2019

‘লোকগান্ধার’ ইন্টারন্যাশন্যাল স্ট্যাণ্ডার্ড সিরিয়াল নম্বর (ISSN) পেয়েছে। যা প্রাথমিকভাবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। আমাদের দায়িত্ব আরো বাড়লো। গবেষণামূলক লেখাগুলি আরো ত্রুটিহীন ও তথ্যবহুল হতে হবে। নিরন্তর প্রচেষ্টা ও গবেষণায় উৎসাহ দেওয়াই আমাদের উদ্দেশ্য। এই পত্রিকা অনেক মানুষের কাছে পৌঁছুবে। নতুন প্রজন্মের ছাত্র-ছাত্রী ও গবেষকরা এর থেকে অনেক উপকার পাবে এই প্রত্যাশা আমাদের আছে।

প্রতিটি সংখ্যায় বেশ কিছু গুনগত দিক থেকে উচ্চ মানের লেখা রয়েছে।পণ্ডিত অনিন্দ্য ব্যানার্জি লিখেছেন ইতিহাস নির্ভর সরোদ চর্চার কথা। নৃত্যচূড়ামনি রাহুল দেব মণ্ডল, ড. আশিস চক্রবর্তী, ড. কৌশিক ব্যানার্জি প্রমুখদের লেখা একেবারে নতুন ভাবনার সন্ধান দিয়েছে, এবিষয়ে কোন সন্দেহই নেই।

করোনার আবহে বর্ষা এসেছে। আমরা সবাই গৃহবন্দী। তারমধ্যে চলছে চীন আর ভারতের সীমান্ত সংঘর্ষ। ক’মাস আগেই পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধের আবহ এখন একটু স্তিমিত। দিনের আলো মাঝে মধ্যেই নিভে আসে।রাতের আঁধারে ভেজা বাতাস। দিনের আকাশে ঘন বর্ষার মেঘের আনাগোনা। মাঠে ধানের ক্ষেত সবুজ হয়ে উঠছে একটু একটু করে। রাতে বর্ষার জমে থাকা জলে ব্যংদের ডাকা ডাকি। রাশি রাশি পাখি ঘুরছে মাছের সন্ধানে। বর্ষায় রবিঠাকুরের গানে মেতেছে বাংলার মানুষ।

এখন যারা লেখা দেবেন, তারা সব জেনেই লেখা দেবেন। তবে লেখাগুলি যথাযথ মূল্যায়ন করেই প্রকাশ করা হবে। সব গবেষকদেরই দ্বিধাহীন চিত্তে পত্রিকা প্রকাশের কাজে পাশে থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। পত্রিকাটি দুমাস অন্তর প্রকাশ পাওয়ার কথা। সেরকমই হবে। লেখা এসেছে অনেকগুলি। সেগুলি প্রকাশ করার কাজ চলছে। অনলাইন জার্ণাল প্রকাশের অভিজ্ঞতা কম। তবু চেষ্টা চলছে। দেখা যাক। লেখাগুলি অধ্যাপকদের কাছে পাঠানো মূল্যায়ন করা তারপর প্রকাশ। ফলে সময় লাগে। গুনমান বজায় রাখাটাই খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমরা চেষ্টা করব। সাহিত্য, শিল্পকলা সংস্কৃতি, সমাজ, নীতি-নৈতিকতা ইত্যাদি নানা বিষয়ে লেখা বের হবে। কখনো কোন বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ পেলে আগে থেকে জানানো হবে। আপনারা সবাই লক্ষ্য রাখবেন। আমাদের পত্রিকার লেখা সম্পর্কে আপনাদের সুপরামর্শ দেবেন। আমাদের এই লোকগান্ধার পত্রিকার লেখাগুলির গুনমান পরীক্ষার জন্য কয়েকজন বিশিষ্ট মানুষকে আমরা সঙ্গে পেয়েছি। তাঁরা নিরন্তর লেখাগুলির গুনমান পরীক্ষা করে চলেছেন। সেইমতোই পত্রিকা প্রকাশ পাচ্ছে। আমাদের সম্পাদক মণ্ডলীর প্রত্যেকেই অত্যন্ত দায়িত্ব পরায়ণ। তাঁরাও সর্বান্তকরণে পরিশ্রম করে চলেছেন।

পাঠক ও লেখকদের কাছে অনুরোধ আপনারা আপনাদের পছন্দের লেখাগুলি পড়বেন, মতামত জানাবেন। খোলা মনে পরামর্শ দেবেন। লেখা পাঠাবেন টাইপ করে। সফট কপি এবং পি ডি এফ পাঠাবেন। বাংলা বা হিন্দি লেখা Google Input Tool (https://www.google.com/inputtools/try/) এ বা অভ্র-তে https://www.omicronlab.com/avro-keyboard-download.html । লেখার সংগে প্রয়োজন মতো ছবি ও লিঙ্ক পাঠাবেন যাতে লেখাগুলি আরো তথ্যনির্ভর ও প্রানবন্ত হয়ে ওঠে। আর ইংরেজি লেখা হলে যেকোন ফণ্টেই টাইপ করে পাঠান। প্রতিটি লেখাতেই যথাযথ রেফারেন্স ব্যবহার করতে হবে। তবে সাক্ষাৎকার ভিত্তিক লেখাও পাঠাতে পারেন। সেখানে সাক্ষাৎকার এর তারিখ, স্থান, কাল ও ব্যক্তির নাম দেওয়া দরকার। লেখার সঙ্গে নিজের ছবি, ফোন নম্বর এবং লেখা সংক্রান্ত ছবি পাঠাবেন। লেখার বানান যথাসম্ভব নির্ভুল হওয়া বাঞ্ছনীয়। আকাদেমির বানান অভিধান অনুসরণ করবেন। ছবির নীচে অবশ্যই ক্যপশান থাকা জরুরী। লেখা পাঠাবার ঠিকানা : lokogandhar@gmail.com

পরের সংখ্যা সেপ্টেম্বর (২০২০) মাসে প্রকাশিত হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.